ফুলবাড়ীয়ায় টিসিবির মনগড়া তালিকা : কার্ডধারীদের ভোগান্তী

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা মনগড়া তালিকা করে টিসিবির পন্য বিতরণ করেছেন। মনগড়া ত...

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা মনগড়া তালিকা করে টিসিবির পন্য বিতরণ করেছেন। মনগড়া তালিকার কারনে কোন কার্ডে ব্যবকার করা হয়নি ছবি।

এক ওয়ার্ডের কার্ডধারীকে অন্য ওয়ার্ডে তালিকা ভুক্তিসহ এক মেম্বারের দেয়া নাম তালিকা ভুক্ত হয়নি। মনগড়া তালিকার কথা স্বীকার করে চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আবু তাহের বলেন, তালিকা করতে আমাদের ভূল ক্রটি হয়েছে। পরবর্তীতে টিসিবি পন্য বিতরণের আগে কার্ডে ছবি লাগানোর কথা বলেন তিনি। মনগড়া তালিকায় কার্ডধারীরা হয়রানির শিকার হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।


সোমবার (২১ মার্চ) এনায়েতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১০ টা থেকে ট্রাকে করে পন্য বিতরণ শুরু করা হয়।

উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে ১৪শ ৪৪ টি টিসিবি কার্ড রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের ৫০ টি করে কার্ড দেয়ার পর বাকী কার্ড চেয়ারম্যান মেম্বাররা বিতরণ করে তালিকা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেন। প্রতিটি কার্ডে কার্ডধারীদের ছবি থাকার কথা থাকলেও একটি কার্ডেও ছবি ছিল না। অধিকাংশ কার্ড ঘষামাঝা। এক ওয়ার্ডের কার্ডধারীকে অন্য ওয়ার্ডে তালিকা ভ’ক্ত করা হয়েছে। টিসিবি পন্য বিতরণের সময় নাম খোজতে সময় বেশি লাগায় কার্ডধারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শাহজাহানের দেয়া ১৭/১৮ জনের নামের তালিকা ভুক্তি না হওয়ার ক্ষোভে তিনি বিতরণ স্থলেই আসেননি। ঐ মেম্বারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ৭৫৬ নং কার্ডধারী আ: আউয়াল জানান, তার বাড়ী সোয়াইতপুরের ৫ নং ওয়ার্ডে। তিনি সহ তার বাড়ীর ৫ টি কার্ড ৪ নং ওয়ার্ডে বলে তালিকার ভুক্তি করা হয়েছে। টিসিবি পন্য নিতে গিয়ে তারা বেশ হয়রানী শিকার হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। লাইনে মহিলার হাতে একের অধিক কার্ড ধরিয়ে দিয়ে পন্য উত্তোলন করতে দেখা গেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা জানান , প্রধানমন্ত্রীর জনবান্ধব সময়োপযোগী উদ্যোগকে মনগড়া তালিকা করে যারা বিতর্কিত করেছেন তারা কখনও এ সরকারের ভাল চায় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে অন্যরা সাবধান হবে।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ও তদারকি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অবশ্যই কার্ডে ছবি থাকা উচিত ছিল। এক দিকে ছবি নাই অপর দিকে এক ওয়ার্ডের কার্ডারীকে অন্য ওয়ার্ডে তালিকা ভুক্ত করায় কার্ডধারীদের সময় লেগেছে বেশি।

চেয়ারমান (ভারপ্রাপ্ত) আবু তাহের জানান, তালিকা করতে আমাদের কিছুটা ক্রটি হয়েছে। পরবর্তীতে টিসিবি পন্য বিতরণের আগে কার্ডে ছবি লাগানোর কথা বলেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদুল করিম জানান, তিনি অভিযোগগুলো পেয়েছেন। ওখানে ট্যাক অফিসার আছে তাকে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য বলা হয়েছে। মেম্বারের দেয়া নাম তালিকা ভুক্তি হয়নি এটা দূ:খজনক।

সুত্রঃ Mymensingh Live

Related

ফুলবাড়িয়া 1796826467814531269

সর্বশেষ খবর

    এক ক্লিকে বিভাগের খবর

    ফেসবুক


    item